রাজধানীর মুগদায় সৌদি প্রবাসী মোকাররম মিয়ার (২৮) ৮ টুকরো মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন তার চাচাতো ভাই মো. রিফাত। মোকাররমের সঙ্গে আরেক প্রবাসীর স্ত্রীর পরকীয়া ছিল বলে জানান তিনি।
সোমবার (১৮ মে) বিকেলে সাংবাদিকদের এ কথা জানান রিফাত।
এর আগে রোববার দুপুরে রাজধানীর মুগদা মান্ডার ১ম গলির একটি বাড়ির বেজমেন্ট থেকে পলিথিনে ভর্তি মরদেহের ৭ টুকরো উদ্ধার করে পুলিশ।
এরপর রোববার দিবাগত মধ্যরাতে পূর্ব মানিকনগর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় মোকাররমের বিচ্ছিন্ন মাথা।
মোকাররমের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর গ্রামে। তার বাবার নাম সোহরাব মিয়া আর মা সামিনা বেগম।
সোমবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে মোকাররমের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এরপর দাফনের জন্য পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয় মৃতদেহটি।
তার চাচাতো ভাই মো. রিফাত জানান, মোকাররম গত ৩ বছর যাবত সৌদি আরব ছিলেন। তার স্ত্রী জোনাকি আক্তার গৃহিণী। দুই ছেলে মুজাহিদ (৪) ও বায়জিদ (৬) মায়ের সাথে গ্রামের বাড়িতেই থাকেন।
তিনি জানান, মোকাররম সর্বশেষ ১৩ মে ছেলেদের সাথে ফোনে কথা বলেন। তখন তিনি কাজে যাচ্ছেন, পরে বাসায় ফিরে কথা বলবেন বলে জানান বাচ্চাদের। এরপর আর তার সাথে যোগাযোগ করতে পারেনি পরিবার। রোববার রাতে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ তাদের বাড়িতে গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে মোকাররমের লাশ উদ্ধারের খবর পাঠায়। এরপরই পরিবার ঢাকায় ছুটে আসেন। থানায় এসে বিষটি নিশ্চিত হন।
কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে সেটি জানাতে না পারলেও, একই গ্রামে আরেক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে মোকাররমের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বলে জানান চাচাতো ভাই রিফাত।
তিনি বলেন, মোকাররম যেদিন থেকে যোগাযোগের বাইরে, সেদিন থেকেই একই গ্রামের সেই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতেও তালা ঝুলানো। মোকাররমকে যারাই খুন করুক, এটি খুবই পরিকল্পিত। তাকে হত্যাকারীরাই দেশে ডেকে এনেছে। তবে তার দেশে আসার খবরটি পরিবারের কেউই জানেন না।
এদিকে মোকাররমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মা-মেয়েকে গ্রেফতার করেছেন র্যাবের সদস্যরা। সেই সঙ্গে হত্যার আলমতও উদ্ধার করা হয়।
সোমবার দুপুরে র্যাব-৩ এর সদর দফতর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, পরকীয়া প্রেমের বলি হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মোকাররম। তাকে হত্যা এবং মরদেহ আট টুকরা করে পলিথিনে মান্ডার একাধিক এলাকায় ফেলে রাখা হয়। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার প্রধান আসামি হেলেনা বেগম ও তার মেয়ে হালিমাকে আলামতসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।
এর আগে র্যাব জানায়, ৫ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করে পরকীয়া প্রেমিকা ও বান্ধবী মিলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে প্রবাসী মোকাররমকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এরপর মরদেহ আট টুকরা করে আলাদা জায়গায় ফেলে দেয়।
সোমবার (১৮ মে) বিকেলে সাংবাদিকদের এ কথা জানান রিফাত।
এর আগে রোববার দুপুরে রাজধানীর মুগদা মান্ডার ১ম গলির একটি বাড়ির বেজমেন্ট থেকে পলিথিনে ভর্তি মরদেহের ৭ টুকরো উদ্ধার করে পুলিশ।
এরপর রোববার দিবাগত মধ্যরাতে পূর্ব মানিকনগর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় মোকাররমের বিচ্ছিন্ন মাথা।
মোকাররমের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর গ্রামে। তার বাবার নাম সোহরাব মিয়া আর মা সামিনা বেগম।
সোমবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে মোকাররমের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এরপর দাফনের জন্য পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয় মৃতদেহটি।
তার চাচাতো ভাই মো. রিফাত জানান, মোকাররম গত ৩ বছর যাবত সৌদি আরব ছিলেন। তার স্ত্রী জোনাকি আক্তার গৃহিণী। দুই ছেলে মুজাহিদ (৪) ও বায়জিদ (৬) মায়ের সাথে গ্রামের বাড়িতেই থাকেন।
তিনি জানান, মোকাররম সর্বশেষ ১৩ মে ছেলেদের সাথে ফোনে কথা বলেন। তখন তিনি কাজে যাচ্ছেন, পরে বাসায় ফিরে কথা বলবেন বলে জানান বাচ্চাদের। এরপর আর তার সাথে যোগাযোগ করতে পারেনি পরিবার। রোববার রাতে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ তাদের বাড়িতে গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে মোকাররমের লাশ উদ্ধারের খবর পাঠায়। এরপরই পরিবার ঢাকায় ছুটে আসেন। থানায় এসে বিষটি নিশ্চিত হন।
কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে সেটি জানাতে না পারলেও, একই গ্রামে আরেক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে মোকাররমের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বলে জানান চাচাতো ভাই রিফাত।
তিনি বলেন, মোকাররম যেদিন থেকে যোগাযোগের বাইরে, সেদিন থেকেই একই গ্রামের সেই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতেও তালা ঝুলানো। মোকাররমকে যারাই খুন করুক, এটি খুবই পরিকল্পিত। তাকে হত্যাকারীরাই দেশে ডেকে এনেছে। তবে তার দেশে আসার খবরটি পরিবারের কেউই জানেন না।
এদিকে মোকাররমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মা-মেয়েকে গ্রেফতার করেছেন র্যাবের সদস্যরা। সেই সঙ্গে হত্যার আলমতও উদ্ধার করা হয়।
সোমবার দুপুরে র্যাব-৩ এর সদর দফতর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, পরকীয়া প্রেমের বলি হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মোকাররম। তাকে হত্যা এবং মরদেহ আট টুকরা করে পলিথিনে মান্ডার একাধিক এলাকায় ফেলে রাখা হয়। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার প্রধান আসামি হেলেনা বেগম ও তার মেয়ে হালিমাকে আলামতসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।
এর আগে র্যাব জানায়, ৫ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করে পরকীয়া প্রেমিকা ও বান্ধবী মিলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে প্রবাসী মোকাররমকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এরপর মরদেহ আট টুকরা করে আলাদা জায়গায় ফেলে দেয়।
অনলাইন ডেস্ক